ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায় - সহজ ও কার্যকারী
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায় - সহজ ও কার্যকারী, অনেকেই অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে কিন্তু কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় তার সম্পর্কে জানেনা। আপনি কি কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় তার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন ? তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
ইউটিউব হলো অনলাইন জগতে একটি বড় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে বহু ইউটিউবার
মাসের লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। সঠিক স্কেল জানা থাকলে আপনিও প্রতিমাসে কয়েক
হাজার থেকে লাখ টাকাও ইনকাম করতে পারেন। সহজ ও কার্যকরী উপায় গুলো জানতে
আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়ুন।
পোষ্ট সূচিপত্রঃইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায় - সহজ ও কার্যকারী
- ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়
- ইউটিউব কেন আয়ের সেরা অন্যতম মাধ্যম
- ইউটিউব চ্যানেল কি এবং কিভাবে কাজ করে
- ইউটিউব মনিটাইজেশন কি এবং যোগ্যতা
- গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে আয়
- স্পন্সরশিপ ও ব্র্যান্ড ডিল
- লাইসেন্সিং কনটেন্ট বা ভিডিও রাইটস বিক্রি
- নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
- ইউটিউব শর্টস ফান্ড
- লেখক এর শেষ কথা
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট আমাদের জীবনের সঙ্গে এমন ভাবে জড়িয়ে গেছে যে এটি শুধু
যোগাযোগ বা বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয় বরং আয়ের একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম
হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই ডিজিটাল বিপ্লবের অন্যতম বড় উদাহরণ হল
ইউটিউব। যে আগে যেখানে ইউটিউব শুধু ভিডিও দেখার জায়গা ছিল, আজ সেখানে মানুষ
নিজের প্রতিভা দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য মানুষ youtube কে তাদের আয়ের প্রধান
প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছে। youtube থেকে আয় করার সবচেয়ে বড় সুবিধা
হল এখানে কাজ শুরু করার জন্য বড় কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না। একটি স্মার্টফোন,
ইন্টারনেট সংযোগ এবং শেখার মানসিকতা থাকলে যে কেউ ইউটিউব যাত্রা শুরু করতে পারে।
যেমন ছাত্র বেকার গৃহিণী কিংবা চাকরিজীবী সবাই নিজের সময় ও সমর্থ্য অনুযায়ী
ইউটিউব থেকে আয় করার সুযোগ পায়।
আরো পড়ুনঃ ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার ০৮ টি সেরা উপায়
তবে youtube থেকে সফল হতে হলে শুধু ভিডিও আপলোড করলেই হয় না প্রয়োজন সঠিক
পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিকতা ও দর্শকের চাহিদা বোঝার দক্ষতা। এমন অনেকের আছে যারা
ইউটিউব শুরু করে ও মাঝপথে হতাশ হয়ে পড়ে। কারণ তারা আয়ের সঠিক পথ সম্পর্কে
পরিষ্কারভাবে ধারণা রাখে না। আসলে ইউটিউব থেকে আয় করার একাধিক কার্যকর উপায়
রয়েছে যেগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে আয় করা সম্ভব এই লেখায় আমরা খুব সহজ ও
বাস্তব ভাষায় আলোচনা করব কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করার পাঁচটি সহজ ও কার্যকর
উপায়, যা নতুনদের জন্য যেমন উপযোগী তেমনি কন্টেন্ট পিরিয়ডের জন্য দিকনির্দেশনা
হিসেবে কাজ করবে । আপনি এই আর্টিকেল পড়ার পর জানতে পারবেন কিভাবে youtube
মনিটাইজেশন কাজ করে এবং বিজ্ঞাপন ছাড়া কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায় ও কিভাবে
ধৈর্য ও নিয়মিত পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি স্থায়ী আয়ের উৎসে পরিণত করা যায়। আপনি
যদি সত্যিই ইউটিউবকে আয়ের বড় মাধ্যম বানাতে চান, তাহলে এই জানার বিষয়টি জানার
জন্য এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
ইউটিউব কেন আয়ের সেরা অন্যতম মাধ্যম
বর্তমান ডিজিটাল যুগের youtube আর শুধুমাত্র বিনোদনের একটি প্ল্যাটফর্ম নয় বরং
এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে। সাধারণত ইউটিউবে আগে
মানুষ বিভিন্ন গান, নাটক, মুভি কিম্বা মজার ভিডিও দেখার জন্য ঢুকতো। আর এখন
ইউটিউব ব্যবহার করা হচ্ছে শিক্ষা গ্রহণ, দক্ষতা শেখা এবং সবচেয়ে বড়
গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ক্যারিয়ার ও আয়ের পথ তৈরি করার জন্য। বিশ্বের পাশাপাশি
বাংলাদেশেও এখন মানুষ youtube কে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে সফলভাবে মাসে হাজার থেকে
লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। youtube থেকে আয়ের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে কোন
ডিপোজিট বা অফিস সেটাপের প্রয়োজন হয় না। এটি ঘরে বসেই খুব কম খরচে হয়ে যায়।
আপনার শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই শুরু করতে পারেন।
একজন ছাত্র তার পড়াশোনার পাশাপাশি ইউটিউবে ইনকাম করতে পারে, তেমনি একজন গৃহিণী
ঘরের কাজের ফাঁকে কন্টেন্ট তৈরি করতে পার, আবার একজন চাকুরিজীবী অবসর সময়ে
ইউটিউবে সাইড ইনকামের পথ বানাতে পারে।
অর্থাৎ youtube হল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বয়স পেশা বা শিক্ষাগত যোগ্যতা
বড় বাধা প্রভাব ফেলে না। এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইউটিউবে চাকরির মত
কোন নির্দিষ্ট সময়সূচী নেই। এখানে নেই কোন বসের চাপ নেই অফিসের নিয়ম
কানুন ইত্যাদি। কাজ করার স্বাধীনতা ইউটিউব থেকে সফল হতে হলে শুধু ভিডিও
আপলোড করলে হবে না। বরং দরকার সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং নিয়মিত মানসম্মত
কনটেন্ট তৈরি ও দর্শকের চাহিদা বোঝার ক্ষমতা। আবার অনেকেই ইউটিউব শুরু
করে দ্রুত ফল আসা করে এবং কয়েকটি ভিডিওতে আয়না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়ে।
কিন্তু বাস্তবতা হল ইউটিউব একটি দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যাটফর্ম। এখানে ধীরে ধীরে দর্শক
তৈরি হয় এবং সেই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। যারা ধৈর্য ধরে নিয়মিত কাজ
করে তারা শেষ পর্যন্ত সফলতা অর্জন করে। ইউটিউব থেকে আয় করার সঠিক ও কার্যকর
উপায় জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। ইউটিউবে আয় করার পথ শুধু একটিই নয় বরং একাধিক
উপায় রয়েছে যেগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে যে কেউ বাস্তবে আয় শুরু করতে
পারে। এই আর্টিকেলে খুব সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে ইউটিউব থেকে
আয় করার সহজ ও কার্যকারী উপায় সম্পর্কে।
ইউটিউব চ্যানেল কি এবং কিভাবে কাজ করে
সাধারণত youtube চ্যানেল হলো তোমার নিজের ডিজিটাল টেলিভিশন চ্যানেলের মত।
যেমন টিভিতে একটি চ্যানেল থাকে যেখানে নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রাম দেখানো
হয়, ইউটিউব চ্যানেল ঠিক একইভাবে কাজ করে। এখানে আপনি আপনার নিজের ভিডিও আপলোড
করে দর্শককে দেখাবেন এবং দর্শক যখন আপনার ভিডিও দেখবে তখন সে বা তারা সাবস্ক্রাইব
করবে, এবং ধীরে ধীরে আপনার দর্শক সম্প্রদায় তৈরি হবে। ইউটিউবে একটি চ্যানেল
খোলার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র
বিনোদনের জন্য নয় বরং শিক্ষামূলক, ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত আগ্রহের উপর ভিত্তি
করে কন্টেন্ট তৈরি করে আয় করার সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি রান্নার ভিডিও
বানান বা শিক্ষামূলক টিউটোরিয়াল দেন এবং গেম খেলার কনটেন্ট বানান বা প্রযুক্তি
রিভিউ করেন, আপনার প্রত্যেক ধরনের ভিডিও দর্শককে আকর্ষণ করতে পারে। আপনার ইউটিউব
চ্যানেল খোলার জন্য সাধারণত যেসব প্রয়োজন হয় যেমন; প্রথমে আপনার একটি google
account প্রয়োজন। যেখানে ইউটিউব চ্যানেল খোলার একটি google একাউন্ট
অপরিহার্য।
এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনি ইউটিউব লগইন করে চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। এরপর
স্মার্ট ফোন বা ক্যামেরাঃ ভিডিও তৈরি করার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় স্মার্টফোন
বা ক্যামেরা। ভালো কনটেন্ট মানেই শুধু উচ্চ মানের ভিডিও নয় বরং ভিডিওর ভাব
প্রকাশ এবং শিক্ষানীয়তা অনেক বেশি গুরুত্ব পাই। ইন্টারনেট সংযোগঃ ভিডিও আপলোড
এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি স্থিরশীল ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন।
ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে কাজ করে ? এটা অনেকের মাথায় ঘুরপাক খায়, আপনি ভিডিও
আপলোড করেন এবং দর্শক সেই ভিডিও দেখে লাইক দেয় এবং কমেন্ট করে। যারা আপনার
কন্টেন্ট পছন্দ করেন তারা সাবস্ক্রাইব করে। দর্শক বাড়লে ইউটিউব এর অ্যালগরিদম
আপনার কনটেন্ট আরো বেশি মানুষকে দেখায়। এই প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে চ্যানেলটি
বৃদ্ধি পায় এবং দর্শক সম্প্রদায় তৈরি হয়। একবার দর্শক তৈরি হলে আপনি
বিভিন্ন উপায়ে আয় শুরু করতে পারেন, যেমন বিজ্ঞাপ, স্পন্সরসিপ
অ্যাফিলিয়েন্ট মার্কেটিং বা নিজের প্রোডাক্ট বিক্রি ইত্যাদি। তাই বলা যায়
ইউটিউব চ্যানেল হল আপনার অনলাইন পরিচয় এবং আয়ের ভিত্তি। এখানে আপনার প্রতিভা
জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা প্রদানের মাধ্যম হিসেবে সঠিক ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদি আয়ের
সুযোগ এনে দেয়।
ইউটিউব মনিটাইজেশন কি এবং যোগ্যতা
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়, ইউটিউব মনিটাইজেশন হলো youtube থেকে সরাসরি আয় করার প্রক্রিয়া। অর্থাৎ যখন আপনি
আপনার চ্যানেল এবং ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ পাবেন, এবং সেই বিজ্ঞাপন
থেকে আয় করতে পারবেন তখন সেই প্রক্রিয়াকে মনিটাইজেশন বলা হয়। এটি ইউটিউব থেকে
আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মূল উপায়। মনিটাইজেশন চালু হওয়ার পর দশক ভিডিও
দেখার সময় বা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মাধ্যমে আয় হয় এবং সেই আয়ের একটি অংশ
ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিকেটারদের দেয়। মনিটাইজেশন এর গুরুত্ব, মনিটাইজেশন হল
ইউটিউব থেকে আয় করার প্রথম ধাপ। শুধুমাত্র ভিডিও আপলোড করলেই আয় শুরু হয় না
বরং আপনার চ্যানেলকে আর্থিকভাবে লাভজনক করার জন্য ইউটিউব মনিটাইজেশন অপরিহার্য।
চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি ভিডিও থেকে বিজ্ঞাপনের আয়ের অংশ পাবে। স্পনসার শিপ
বা ব্র্যান্ড ডিল পাওয়া সম্ভাবনা বাড়ে, এবং দীর্ঘমেয়াদি আয়ের ধারাবাহিকতা
নিশ্চিত করে।
ইউটিউবে মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হয়।
ইউটিউবে নিয়ম অনুযায়ী মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়।
এগুলো হলো সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা যেমন; আপনার চ্যানেলে কমপক্ষে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার
থাকতে হবে। এটি নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার ভিডিও যথেষ্ট দর্শক আকর্ষণ করছে। ওয়াচ
টাইমঃ শেষ ১২ মাসে ৪০০০ ঘন্টা ভিডিও দেখা লাগবে। অর্থাৎ দর্শকেরা শুধু ভিডিও
দেখবেনা পুরো ভিডিও দেখবে এবং সময় ব্যয় করবে। গুগল এডসেন্স একাউন্টঃ মনিটাইজেশন
সংক্রিয় করতে একটি বৈধ গুগল এডসেন্স একাউন্ট থাকা আবশ্যক। যোগাযোগ যোগ্যতা ও
নীতিঃ youtube এ কমিউনিটি গাইড লাইন এবং কপিরাইট নিয়ম মেনে চলতে হবে, কারণ
কপিরাইট লঙ্ঘন মনিটাইজেশন বাতিল হতে পারে। ভূগোল সীমাবদ্ধতাঃ কিছু দেশে ইউটিউব
মনিটাইজেশন সমর্থিক, সেসব দেশের বাইরে মনিটাইজেশন সীমিত হতে পারে।
মনিটাইজেশন সক্রিয় করার ধাপ যেমনঃ
- চ্যালেন তৈরির পর youTube Partner program (YPP) - এ আবেদন করো
- যোগ্যতা পূরণ হলে ইউটিউব চ্যানেল পর্যালোচনা করে
- অনুমোদন পাওয়ার পর ভিডিওতে বিজ্ঞাপন চালু হবে
- ভিডিওতে দর্শক দেখলে বা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনি আয় করতে শুরু করবেন
মনে রাখবেন মনিটাইজেশন শুধু টাকা ইনকামের একটি উপায়। ইউটিউব থেকে আয় শুরু করার
পর আপনি অন্যান্য উপায় ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েন্ট
মার্কেটিং, চ্যানেল মেম্বারশিপ ইত্যাদি। তবে মনিটাইজেশন হলো সেই ভিত্তি যা ছাড়া
অন্যান্য আয় উপায় কার্যকর ভাবে কাজ করে না।
গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে আয়
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়, এর মধ্যে গুগল এডসেন্স হল ইউটিউব থেকে আয়ের
সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ উপায়। এটি একটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক, যা ইউটিউবে ভিডিওতে
বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে ক্রিয়টরদের অর্থ প্রদান করে। সহজ ভাবে বললে,
যখন আপনি youtube ভিডিও আপলোড করবেন এবং দর্শক সেই ভিডিও দেখবে, তখন ভিডিওতে
বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। দর্শক যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে বা ক্লিক করে তখন সেই আয়ের
একটি অংশ আপনার হয়ে যাবে। google এডসেন্স এর মাধ্যমে ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানো
যেমনঃ ইউটিউব ভিডিওতে ছোট ছোট বিজ্ঞাপন বা প্রি-রল অর্থাৎ ভিডিওর শুরু হওয়ার
আগে, মিড রোল অর্থাৎ ভিডিও চলাকালীন, এবং ব্যানার বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। দর্শকের
ক্রিয়া-কলাপঃ কেউ বিজ্ঞাপন দেখে বা ক্লিক করলে সেই আয় সৃষ্টি হয়। কমিশনঃ এই
আয়ের একটি নির্দিষ্ট ভাগ ইউটিউব ক্রিয়টোরদের প্রদান করে।
গুগল এডসেন্স এর জন্য কিছু দক্ষতা প্রয়োজন যেমনঃ অবশ্যই চ্যানেলে ১০০০
সাবস্ক্রাইবার থাকা আবশ্যক। শেষ ১২ মাসে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম বা শর্ট ভিডিওতে
৯০ দিনের মধ্যে ১০ মিলিয়ন ভিউ প্রয়োজন। একটি বৈধ গুগল এডসেন্সের
অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যক। ইউটিউব এর কমিউনিটি গাইডলাইন ও কপিরাইট নিয়ম মানা
আবশ্যক ইত্যাদি। google এডসেন্সের মাধ্যমে আয়ের সুবিধা হলঃ সরাসরি আয়; ভিডিও
দেখার সঙ্গে সঙ্গে আয় শুরু হয়। দীর্ঘমেয়াদী আয়; ভিডিও একবার আপলোড করলে তার
সময়ের সাথে সাথে আয় করতে থাকে। সহজ ভাবে স্কেল করা যায়; যত বেশি ভিডিও আপলোড
করবেন এবং দর্শক যত বেশি হবে আয় তত বেশি হবে। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ধরন;
প্রি-রোল, মিড রোল, ডিসপ্লে এড সবগুলো মিলিয়ে আয় বাড়ানো সম্ভব হয়।
কনটেন্ট তৈরি করার সময় কিছু কার্যকরী টিপস মনে রাখতে হবে। যেমন; মানসম্মত ভিডিও
তৈরি করাঃ ভালো কনটেন্ট দর্শক আকর্ষণ করে এবং ভিডিও পুরো দেখা হয়। নিয়মিত
আপলোড করুনঃ সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ভিডিও ধারাবাহিকভাবে আপলোড করলে আই দ্রুত
বাড়ে। নিজ নির্বাচন করুনঃ শিক্ষা, ফাইনান্, টেকনোলজি বা অনলাইন ইনকামের
ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন এর দাম বেশি থাকে। ভিডিও এসইও; ভিডিও টাইটেল, ট্যাগ এবং
ডেসক্রিপশন সঠিক হলে ভিডিও বেশি মানুষ দেখবে। তাই বলা যায়, গুগল এডসেন্স হল
ইউটিউব থেকে আয়ের সবচেয়ে সহজ এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে
নতুনদের জন্য ধাপে ধাপে ইনকাম শুরু করা সম্ভব।
স্পন্সরশিপ ও ব্র্যান্ড ডিল
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়, ইউটিউব থেকে আয়ের আরেকটি অন্যতম কার্যকরী উপায় হল স্পন্সরশিপ এবং
ব্র্যান্ড ডিল। এটি মানে হল কোন কোম্পানি বা ব্র্যান্ড আপনার ভিডিও বা চ্যানেলকে
পছন্দ করে এবং তাদের পণ্য বা সার্ভিসের প্রচার করার জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করে।
সহজ ভাবে বলা যায়, ব্র্যান্ড আপনার দর্শক ও জনপ্রিয়তা ব্যবহার করে নিজের পণ্য
বা পরিষেবা প্রচার করে এবং তার বিনিময়ে তারা কনটেন্ট ক্রিয়াটারদের পেমেন্ট
দেয়। স্পন্সরশিপ কিভাবে কাজ করে, দর্শক ও সাবস্ক্রাইবার তৈরিঃ প্রথমে দরকার একটি
সংস্ক্রিয় দর্শক সম্প্রদায়। ব্র্যান্ড চাইবে এমন চ্যানেল যেখানে ভিডিও নিয়মিত
দেখা হয় এবং দর্শক সচেতন। ব্র্যান্ডের সাথে যোগাযোগ; দর্শক এনগেজমেন্ট তৈরি হলে
ব্র্যান্ড নিজেই যোগাযোগ করতে পারে। এছাড়া আপনি নিজেও ইমেইল বা স্পন্সরশিপ
পারফর্মের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। চুক্তি ও পেমেন্ট; চুক্তি অনুযায়ী আপনি
ভিডিওতে পণ্য বা সার্ভিস উল্লেখ করবেন। পেমেন্ট হতে পারে ভিডিওর সংখ্যা দর্শক
সংখ্যা বা অন্য কোন নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী।
স্পন্সরশিপ এর বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। যেমন; উচ্চ আয়ের সুযোগঃ প্রায়
একটি স্পন্সর ভিডিও থেকে সাধারণত বিজ্ঞাপনের তুলনা অনেক বেশি টাইপ করা যায়।
নিয়মিত আয়ের সম্ভাবনাঃ নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সাথে নিয়মিত চুক্তি হলে মাসিক বা
সাপ্তাহিক আয়ের ধারাবাহিকতা তৈরি হয়। নিজের ব্র্যান্ড গড়ে তোলা
যায়ঃস্পন্সরশিপ করলে আপনি বিভিন্ন শিল্প বা নিচে পরিচিত হয়ে উঠবেন,
যা আপনার ভবিষ্যৎ কে আরো বড় চুক্তি সুযোগ এনে দেয়। স্পন্সরশিপ এর কিছু
কার্যকর টিপস রয়েছে। যেমন; নিস সঠিকভাবে বাছাই করাঃ শিক্ষামূলক, টেক, ফিটনেস,
ফ্রিল্যান্সিং বা ব্যবসা সম্পৃক্ত ভিডিও ব্র্যান্ড আগ্রহ বেশি দেখায়। দর্শকের
বিশ্বাস তৈরি করাঃস্পন্সর ভিডিও দেখিয়ে দর্শকের আস্থা হারানো যাবে না। তাই
সবসময় সৎ এবং প্রয়োজনীয় পণ্য প্রচার করা। ভালো প্রেজেন্টেসানঃ পণ্য বা
সার্ভিসটি প্রাকৃতিকভাবে ভিডিওতে উপস্থাপন করা। মনে রাখবেন, দর্শক স্পন্সরশিপ
ভিডিও সহজে চিনতে পারে। ব্রান্ডের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কঃ একবার ভালো
অভিজ্ঞতা দিলে তারা পুনরায় যোগাযোগ করবে। যেমন একটি ফিটনেস চ্যানেল
স্পন্সরশিপ পেতে পারে প্রোটিন পাউডার বা ফিটনেস অ্যাপ এর জন্য।
প্রযুক্তি চ্যানেল স্পন্সরশিপ পেতে পারে ল্যাপটপ হেডফোন বা মোবাইল এর জন্য।
রান্নার চ্যানেল স্পন্সর পেতে পারে বিভিন্ন খাবারের ব্র্যান্ডের জন্য ইত্যাদি।
স্পন্সরশিপ এবং ব্র্যান্ড ডিল হলো ইউটিউব থেকে সবচেয়ে লাভজনক উপায় গুলোর মধ্যে
একটি। যা শুধু ভিডিওর ভিউ নয় বরং আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং দর্শক আস্থা
বাড়িয়ে দেয়। এটি সঠিকভাবে করলে আয় অনেক দ্রুত এবং বড় পরিসরে
বৃদ্ধি পায়।
লাইসেন্সিং কনটেন্ট বা ভিডিও রাইটস বিক্রি
লাইসেন্সিং কনটেন্ট বা ভিডিও রাইটস বিক্রি, হল ইউটিউব থেকে আয়ের একটি শক্তিশালী
এবং দীর্ঘমেয়াদি উপায়। যেখানে আপনি আপনার নিজের তৈরি ভিডিও বা কনটেন্ট ব্যবহার
করার অধিকার অন্য চ্যানেল মিডিয়া হাউজ বা ব্র্যান্ডকে বিক্রি করবেন। এর মাধ্যমে
একবার ভিডিও তৈরি করার পর সেটি বিভিন্ন উচ্ছে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে পুনরায়
আয় করতে পারে। কোন ট্রাভেল ভিডিও, ডকুমেন্টারি ড্রোন ফুটেজ বা শিক্ষামূলক
ভিডিও যেটি আপনি ইউটিউবে আপলোড করেছেন সেটি অন্য চ্যানেল বা কোম্পানি তাদের
প্রজেক্ট এর ব্যবহার করতে চাইলে আপনি সেই ব্যবহারের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি
পাবেন। এই পদ্ধতির সুবিধা হল একবার তৈরি করা ভিডিও থেকে ক্রমাগত আয় করা যায়।
ফলে এটি একটি স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও বড়
মিডিয়া হাউস বা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছে কন্টেন্ট বিক্রি করলে আয়ের
পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে। লাইসেন্সিং কন্টেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটররা
ভিডিও ধরন ও গুণগত মানে ফোকাস দেয় কারণ উচ্চমানের এবং অন্যান্য ভিডিও হলে
ক্রেতার আগ্রহ বেশি হয়।
এছাড়া পদ্ধতি ক্রিকেটারদের স্বাধীনতা দেয়, তারা একই ভিডিও ইউটিউবে
প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করতে পারে। যা আয়ের ধারা
বহুগুণ বাড়ায়। তাই বলা যায় যদি আপনি ইউটিউবে কেবল দর্শক সংখ্যা ও বিজ্ঞাপনের
উপর নির্ভর না করে আরো বড় এবং দীর্ঘমেয়াদি আয়ের সুযোগ তৈরি করতে চান, তাহলে
লাইসেন্সিং কনটেন্ট বা ভিডিও রাইটস বিক্রি একটি কার্যকর এবং লাভজনক উপায়।
নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়, এর মধ্যে আরেকটি হল নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি হলো ইউটিউব থেকে আয়ের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী
এবং স্বাধীন উপায়। যেখানে আপনি সরাসরি আপনার দর্শক বা সাবস্ক্রাইবদের কাছে নিজের
তৈরি পণ্য বা প্রদত্ত সার্ভিসের বিপনন করে আয় করতে পারেন। ইউটিউব চ্যানেলকে
শুধুমাত্র ভিডিও দেখার প্লাটফর্ম হিসেবে নয় বরং এটি মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ড
বিল্ডিং টুল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং,
ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোডিং বা যে কোন শিক্ষামূলক
দক্ষতার শেখান, তাহলে আপনি সেই স্কিল নিয়ে অনলাইন কোর্স তৈরি করতে পারেন
এবং ভিডিওর মাধ্যমে দর্শককে কোর্সটি কিনতে পরচিত করতে পারেন। এছাড়া আপনি ই-বুক,
ডিজিটাল গাইড এবং প্রিন্টেমবল টেমপ্লেট বা অনলাইন সার্ভিস যেমন; ভিডিও
এডিটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন বা কনসাল্টেশন ইত্যাদি, বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে
পারেন। এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল পুরো আয় সরাসরি আপনার হাতে থাকে এবং
কোন মধ্য সত্তা বা তৃতীয় পক্ষের নিয়ন্ত্রণ থাকেনা।
এছাড়া দর্শকেরা ইতিমধ্যেই আপনার চ্যানেল এবং কনটেন্টের প্রতি আস্থা তৈরি করেছে।
তারা সহজেই আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ক্রেতায় পরিণত হয়। সফলভাবে
ব্যবহার করতে হলে ভিডিওর মাধ্যমে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ব্যবহারিক উপকারিতা
দেখানো বিস্তারিত প্রদর্শন এবং দর্শককে কেন তা প্রয়োজন তা উপর জোর দেওয়া উচিত।
নিয়মিত কনটেন্ট আপডেট এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার মাধ্যমে আপনি একটি
স্থায়ী ক্রেতা সম্প্রদায়ের তৈরি করতে পারেন। যা ধীরে ধীরে আয় কে আরো স্থায়ী
এবং বড় আকারের রূপ দেয়। তাই বলা যায়, ইউটিউবকে শুধু বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম
হিসেবে নয় বরং একটি আয়ের সৃষ্টিকারী এবং ব্যবসা প্রসারনের শক্তিশালী
মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি একটি অন্যতম
কার্যক্রম উপায়
ইউটিউব শর্টস ফান্ড
ইউটিউব শর্টস ফান্ড হল নতুন এবং ছোট ভিডিও ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের একটি উত্তম
উপায়। এটি মূলত ইউটিউবে ছোট আকর্ষণীয় ভিডিও যাকে বলা হয় শর্টসের জন্য তৈরি
করা হয়েছে। ইউটিউব প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ক্রিয়টরদেরকে বোনাস দেয়। যারা
এই ধরনের ভিডিও তৈরি করে এবং দর্শকদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়। এই আয়ের পরিমান
নির্ভর করে ভিডিওর ভিউ এনগেজমেন্ট এবং দর্শকের দেশের ওপর। শর্টস ভিডিও
সাধারণত মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে হয়, তাই এটি তৈরি করতে সময় কম লাগে এবং
নতুন চ্যানেলেও দ্রুত দর্শক তৈরি করতে পারে। যেহেতু ছোট ভিডিও দ্রুত ভাইরা হয়
তাই এটি আরেক শুরু করার জন্য খুব কার্যকর মাধ্যম। মজার বা শিক্ষামূলক ভিডিও
তৈরি করে এই ফান্ড থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারে। এবং হ্যাশট্যাগ আকর্ষণীয়
টাইটেল ও সাবস্ক্রিপশন প্রোমোশন ব্যবহার করে আয় আরো বাড়ানো যেতে পারে।
লেখক এর শেষ কথা
ইউটিউব থেকে আয় করার ৫টি উপায়, ইউটিউব কেবল একটি ভিডিও দেখার প্লাটফর্ম নয় এটি একটি শক্তিশালী আয়ের মাধ্যম যার
সৃজনশীলতা এবং ধৈর্য ও পরিকল্পনার সঙ্গে ব্যবহার করলে জীবন পরিবর্তনের সুযোগ
দেয়। ভিডিও আপলোড করা মানে আয় শুরু হবে তা না আপনি যদি সঠিক কৌশল অবলম্বন করেন
তাহলে দর্শকের আস্থা অর্জন করেন এবং ধারাবাহিকভাবে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করেন
তবে ইউটিউব থেকে আই স্থায়ী এবং উল্লেখযোগ্য হতে পারে। প্রতিটি উপায় নিজের
প্রয়োজন দর্শক এবং চ্যানেলের ধরন অনুযায়ী কার্যকর হতে পারে। নতুন ক্রিয়টরের
জন্য মূল চাবিকাঠি হল ধৈর্য নিয়মিততা দর্শকের প্রতি শততা এবং ক্রিয়েটিভিটি।
যারা এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে তারা শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন করবে না বরং নিজের
চ্যানেলকে একটি স্থায়ী ব্র্যান্ডে পরিণত করতে পারবে এবং ডিজিটাল বিশ্বের অন্যতম
অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
আশা করি উপরের উল্লেখিত উপায় গুলো সম্পর্কে জেনে আপনি উপকৃত হবেন। এবং কোন
বিষয়ে উপকৃত হলেন তা সম্পর্কে আপনার বন্ধুর কাছে শেয়ার করুন। এমন জানা-অজানা
আরো তথ্য জানার জন্য আমার ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। এতক্ষণ আর্টিকেলটি মনোযোগ
দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url