পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো - সম্পূর্ণ সহজ গাইড লাইন
পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো, তার সম্পর্কে আপনি কি জানতে চাচ্ছেন
? তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য। আপনি এই আজকের আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন
কিভাবে নিজের পুরনো ফেসবুক আইডি খোলা যায়। আপনি যদি কোন ভাবে ফেসবুক আইডি
হারিয়ে ফেলেন বা পাসওয়ার্ড ভুলে যান, তাই ফেসবুক আইডি খুজে পাওয়া জাইনা।
যাদের নিজের আইডি বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হারিয়ে গেছে এবং খুঁজে পাচ্ছেন না তারা এই আর্টিকেলটি পড়ুন। আশা করি আপনার উপকারে আসবে এবং আপনি পুরাতন ফেসবুক আইডি ফিরে পেতে সাহায্য হবে। আপনি যদি এই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ করেন তাহলে পুরোনো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার সম্পূর্ণ সহজ গাইডলাইন পেয়ে যাবে। চলুন পুরাতন আইডি কিভাবে খুলবো তার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।
পোস্ট সূচিপত্রঃ পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো
- পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো
- পুরাতন ফেসবুক আইডি কি ও কেন হারায়
- ফেসবুক আইডি হারানো সবচেয়ে বড় কারণ সমূহ
- ফেসবুক লগইন তথ্য মনে করার চেষ্টা
- ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবে
- ইমেইল বা ফোন নম্বর না থাকলে কি করনীয়
- হ্যাক হওয়া ফেসবুক আইডি শনাক্ত করার উপায়
- জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া
- রিকভারি চলাকালীন সাধারণ ভুলগুলো হল
- ভবিষ্যতে ফেসবুক আইডি সুরক্ষিত রাখার উপায়
- শেষ কথাঃ পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো
পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো
পুরাতন ফেসবুক আইডি বলতে সাধারণত সেই সব আইডিকে বোঝানো হয়, যেগুলো দীর্ঘদিন
ব্যবহার করা হয়নি, বা অনেক বছর আগে খোলা হয়েছিল, এখন আর ব্যবহার করা হয় না।
এখন সেই পুরাতন ফেসবুক আইডি লগইন করা যাচ্ছে না। অনেক সময় ব্যবহারকারী পুরনো
ইমেইল, ফোন নাম্বার বা পাসওয়ার্ড ভুলে যায়, যার ফলে আইডিটি অকার্যকর মনে হয়।
বাস্তবে কিন্তু এই ধরনের পুরাতন ফেসবুক আইডি সঠিক প্রতিক্রিয়া অপসারণ করলে আবার
চালু করা সম্ভব হয়।
পুরাতন ফেসবুক আইডি খুলতে আপনাকে প্রথমেই ফেসবুকের লগইন পেজে গিয়ে " Forgotten
Password" অপশন ব্যবহার করতে হবে।অনেকের ফেসবুক লগইন পেজে " Forgotten Password"
না এসে "forgot password" লিখা আসে, তাই এই দুই অপশনের মধ্যে যেকোনো একটা
অপশন এলেই ব্যবহার করতে হবে। সেখানে আপনার নাম, পুরনো ইমেইল বা ফোন নাম্বার
দিয়ে সার্চ করলে ফেসবুক আপনার আইডিটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে। অনেক সময়
শুধু নাম দিয়েও আইডি সনাক্ত করা যায়, তবে আপনার বন্ধু বা প্রোফাইল তথ্য সঠিক
থাকতে হবে। এই ধাপে ধৈর্য ধরে একাধিক তথ্য ব্যবহার করে চেষ্টা করা
গুরুত্বপূর্ণ।
যদি ইমেইল বা ফোন নাম্বারে আর এক্সেস না থাকে, তাহলে ফেসবুক বিকল্প রিকভারি অপশন
দেখাবে। সেখানে নতুন একটি ইমেইল দিয়ে পরিচয় যাচাই করতে হবে। প্রয়োজনীয়
জাতীয় পরিচয় পত্র বা অন্য কোন ডকুমেন্ট জমা দিতে হতে পারে। যাচাই সফল হলে
ফেসবুক আপনার পুরাতন আইডিটি আবার সক্রিয় ভাবে চালু করে দিবে এবং নতুন
পাসওয়ার্ড করার সুযোগ দিবে। এভাবে আপনি আপনার পুরাতন ফেসবুক আইডি আবার নতুন
ভাবে খুলতে পারবেন।
পুরাতন ফেসবুক আইডি কি ও কেন হারায়
ফেসবুক আইডি হারানো বলতে হয় আপনি আপনার আইডিতে লগইন করতে পারছেন না, পাসওয়ার্ড
ভুলে গেছেন ও ফোন নাম্বারের অ্যাক্সেস নেই অথবা আইডিটি হ্যাক হয়েছে। বর্তমানে
অনেক ব্যবহারকারী এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কাল ফেসবুক ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে
এবং সেই সাথে সাথে সাইবারের অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেন না বা নিরাপত্তা সেটিং ঠিকঠাক ভাবে ব্যবহার করেন না,
তাদের আইডি হারানোর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, ব্যবহারকারী
নিজের ভুলবশত লগইন তথ্য ভুলে যান। দীর্ঘদিন আইডিতে প্রবেশ না করলে ইমেইল
পাসওয়ার্ড বা ফোন নম্বর মনে না থাকা এর একটি বড় কারণ।
আবার কখনো কখনো ফেসবুক আইডি নিজেই সন্দেহজনক ভাবে কার্যকলাপ সমাপ্ত করে আইডি
সাময়িকভাবে লক করে দেয়। তখন ব্যবহার কারির কাছে মনে হয় আইডি হারিয়ে গেছে।
কিন্তু সেটি নিরাপত্তা জড়িত সেটিং এর কারণে বন্ধ হয়ে থাকে। এছাড়াও পুরনো
ফেসবুক আইডি হারানো আরেকটি বড় কারণ হলো হ্যাকিং। সাধারণত হ্যাকিং হওয়ার কারণ,
ভুয়া লিংকে ক্লিক করা, ফিনিশিং ওয়েবসাইটে ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দেওয়া য় অপরিচিত
অ্যাপ কে অনুমতি দেওয়ার কারণে আইডি হ্যাকারদের হাতে চলে যায়।
এই সাইড গুলো সম্পর্কে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হবে, কিভাবে আপনি হারানো ফেসবুক
আইডি বা হ্যাক হওয়া আইডি আবার ফিরে পেতে পারেন সকল বিষয় নিচে আলোচনা করা
হলো।
ফেসবুক আইডি হারানো সবচেয়ে বড় কারণ সমূহ
ফেসবুক আইডি হারানোর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
অনেকেই সহজ পাসওয়ার্ড যেমন জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর বা নিজের নাম ব্যবহার করেন,
যা সহজেই অনুমান করা যায়। ফলে হ্যাকাররা খুব সহজে এ ধরনের আইডি দখল করতে পারে।
নিরাপদ পাসওয়ার্ড না থাকলে আইডি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। আইলি হারানোর আরেকটি
বড় কারণ হলো ফিশিং। facebook এর নাম ও লোগো ব্যবহার করে অনেক ভুয়া
ওয়েবসাইট বা ইমেইল পাঠানো হয় যেখানে বলা হয় আপনার আইডি ভেরিফাই করতে হবে। আর
ব্যবহারকারী যদি সেখানে তার নিজের লগইন তথ্য দেয়, তাহলে সেই তথ্য সরাসরি
হ্যাকারের হাতে চলে যায়। অনেকেই এই ভুলটি অজান্তেই করে ফেলে।
এছাড়াও অপরিচিত এক বা গেমকে ফেসবুক আইডির সাথে যুক্ত করাও ফেসবুক আইডি হারানোর
বড় ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। অনেক অ্যাপস প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বেশি পারমিশন নেয়, যার
মাধ্যমে তারা আপনার সকল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তাই কখনো কখনো এই
অ্যাপগুলোর কারণে আইডি হ্যাক হয়ে যেতে পারে। তাই উপরের এই কারণগুলো জানা থাকলে
ভবিষ্যতে ফেসবুক আইডি হারানো থেকে সতর্ক থাকা সহজ হয়।
ফেসবুক লগইন তথ্য মনে করার চেষ্টা
হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার প্রথম ধাপ হল আপনার নিজের তথ্য ভালোভাবে মনে
করার চেষ্টা করা। অনেক সময় ব্যবহারকারী মনে করেন আপনার আইডিটি হারিয়ে গেছে,
কিন্তু আসলে সেটি হওয়ার কারণ তারা পাসওয়ার্ড ভুলে গেছে। এক্ষেত্রে ইমেইল, ফোন
নম্বর ঠিক ঠাক ভাবে মনে করতে পারলে সমস্যার সমাধান অনেকটা সহজ হয়ে যাবে। হারানো
ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার জন্য প্রথম ধাপে আপনাকে আপনার তথ্য মনে করার জন্য আপনার
ইমেল বা জিমেইল ইনবক্স চেক করুন। আসা আপনার ইনবক্সে ফেসবুক থেকে আশা পুরনো
নোটিফিকেশন, সিকিউরিটি এলার্ট বা মেল খুঁজে দেখুন।
আর আপনি সেখান থেকেই বুঝতে পারবেন যে আপনার কোন মেইলটি আইডির সাথে যুক্ত ছিল। এর
একইভাবে ফোন নম্বর ব্যবহার করলে পুরনো এসএমএস খুঁজে দেখতে পারেন। সেখানে আপনার
ফেসবুক আইডির কোন এসএমএস সেখানেও থাকতে পারে। এই ধাপে ধৈর্য রাখা খুবই জরুরী।
কারণ সঠিক তথ্য মনে করতে পারলে আপনাকে আর জটিল রিকভারি প্রতিক্রিয়া যেতে হবে
না।
ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবে
যদি আপনি আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড ভুলে যান, তাহলে আপনি ফেসবুকের মধ্যে গিয়ে
"Forgotten password" বা "Forget password" অপশন ব্যবহার করায় সবচেয়ে বড় সহজ
সমাধান। পেজে গিয়ে "Forgotten password" বা "Forget password" এই
অপশনে ক্লিক করলে ফেসবুক আপনাকে ইমেইল বা ফোন নাম্বার দিয়ে আইডি খুঁজে বের করার
সুযোগ দিবে। আপনি যদি সঠিক ইমেইল বা ফোন নাম্বার দিয়ে ফেসবুক আইডি খোলেন তাহলে
ফেসবুক আপনার ইমেইল বা ফোন নাম্বারে একটি কোড পাঠাবে। এই কোড ব্যবহার করে আপনি
নতুন পাসওয়ার্ড ফেসবুক আইডিতে ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনি যদি এই পদ্ধতিতে ফেসবুক আইডি ফিরে পান তাহলে সাথে সাথে আপনাকে সিকিউরিটি
সেটিং চেক করে নিতে হবে। সিকিউরিটি সেটিং চেক করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। আপনি যদি
পুরনো বা অপরিচিত ডিভাইস থেকে লগইন থাকেন,তাহলে সেগুলো লগ আউট করে দিন এবং "টু-
ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন" চালু করুন। এই "টু- ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন" চালু করলে আপনার
পাসওয়ার্ড কারো জানা থাকলেও সে আপনার অনুমতি ছাড়া ফেসবুক লগইন করতে পারবে না।
তাহলে আর আপনার আইডি সিকিউরিটি হয়ে থাকবে।
ইমেইল বা ফোন নম্বর না থাকলে কি করনীয়
অনেক ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী সমস্যা হয় তখন, যখন আপনার ফেসবুক আইডির সাথে যুক্ত
ইমেইল বা ফোন নম্বর এর এক্সেস থাকে না। এ অবস্থায়ও ফেসবুক আইডি রিকভার
করা সম্ভব। তবে প্রতিক্রিয়া টি একটু দীর্ঘ হতে পারে। ফেসবুক আপনাকে বিকল্প
ইমেইল দিতে বলবে যেখানে তারা যোগাযোগ করতে পারবে। এই বিকল্প ইমেল অবশ্যই এমন
হতে হবে যে, যেটিতে আপনার সম্পূর্ণ এক্সেস আছে। ফেসবুক যেখানে নির্দেশনা পাঠাতে
পারে এবং পরিচয় যাচাই করার জন্য কিছু প্রশ্ন করতে পারে ইত্যাদি। যেমন; আপনার
বন্ধুদের নাম এবং পুরনো পাসওয়ার্ড ইত্যাদি।
সঠিক তথ্য দিলে ফেসবুক ধীরে ধীরে আপনার পরিচয় যাচাই করবে। আর সময় লাগতে পারে
বেশ কয়েকদিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত। এই সময় ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা ছাড়া আর
কোন উপায় থাকেনা। আপনি যদি একটু ধৈর্য ধরে আপনার পুরনো ফেসবুক আইডি ফিরিয়ে আনতে
পারেন তাহলে একটু ধৈর্য ধরায় শ্রেয়।
হ্যাক হওয়া ফেসবুক আইডি শনাক্ত করার উপায়
ফেসবুক আইডি হ্যাক বর্তমানে প্রায় অনেকেরই এই সমস্যা দেখা দেয়।
বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে আমরা এক একটি ভুল করে ফেসবুক আইডি হ্যাকারের হাত থেকে
বাঁচাতে পারি না। তাই ফেসবুক আইডি কিভাবে হ্যাক হওয়া থেকে রিকভার করা যায়, তার
জন্য facebook নিজেই একটি নির্দিষ্ট ফর্ম দিয়েছে। আপনাকে সেখানে গিয়ে জানাতে
হবে যে আপনার আইডিটি হ্যাক করা হয়েছে। এরপর ফেসবুক আপনাকে কিছু দিকনির্দেশনা
দিবে, যেগুলো ধাপে ধাপে অনুসরণ করতে হবে। যেমন;
এই প্রক্রিয়ায় আপনাকে পুরনো পাসওয়ার্ড, ব্যবহৃত ডিভাইস ও লোকেশন ইত্যাদি তথ্য
দিতে হতে পারে। এসব তথ্য যত বেশি সঠিকভাবে দেবেন, তত দ্রুত ফেসবুক আপনার পরিচয়
যাচাই করতে পারবে।
পরিচয় নিশ্চিত হলে ফেসবুক আপনাকে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার জন্য সুযোগ
দিবে। এরপর অবশ্যই অপরিচিত অ্যাপ ও ডিভাইস সরিয়ে ফেলতে হবে। যাতে হ্যাকার আর
প্রবেশ না করতে পারে। ফেসবুকের এই ফর্ম এর নির্দিষ্ট ধাপ গুলো অনুসরণ করলে,
আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হ্যাক হওয়া থেকে রিকভার করা যাবে খুব সহজে। আর লক্ষ্য
রাখতে হবে যে কারণগুলোর মাধ্যমে হ্যাকার আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে সক্ষম
হয়েছে, সেসব কারণগুলো চিহ্নিত করে, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে
হ্যাকারের হাত থেকে ফেসবুক আইডিকে সরিয়ে রাখা বা বাঁচানো যাবে।
জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া
বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ফেসবুক পরিচয় পত্র বা কোন ডকুমেন্ট নেয়,কারন
ফেসবুক আপনার পরিচয় যাচাই করার জন্য। কিছু ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহারকারীর পরিচয়
নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পরিচয় পত্র বা আইডি ডকুমেন্ট চাই। ফেসবুক সাধারণত তখনই
জাতীয় পরিচয় পত্র বা কোন ডকুমেন্ট আইডি চাওয়ার মূল কারণ হলো, যখন অন্যসব
পদ্ধতিতে পরিচয় যাচাই সম্ভব হয় না, তখন ফেসবুক জাতীয় পরিচয় পত্র চাই।
আপনার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য।
এক্ষেত্রে আপনাকে ফেসবুকে নির্দিষ্ট ফর্মে আপনার আইডি কার্ডের পরিষ্কার ছবি আপলোড
করতে হবে। নাম ও জন্মতারিখ যেন ফেসবুক প্রোফাইলের সাথে মিল থাকে তার নিশ্চিত করা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ডকুমেন্ট যাচাই করতে ফেসবুক কিছুটা সময় নেই। একবার
যাচাই সম্পূর্ণ হলে ফেসবুক আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে আপনাকে জানাবে এবং আইডিতে
প্রবেশ করার সুযোগ দিবে।
রিকভারি চলাকালীন সাধারণ ভুলগুলো হল
অনেক ব্যবহারকারী ফেসবুক রিকভারি প্রক্রিয়ার সময় বারবার ভুল তথ্য দেন, যা
সমস্যাকে আরো জটিল করে তোলে। যেমন; ভুল ইমেইল দেওয়া, ভুয়া তথ্য দেওয়া বা
একাধিকবার ফর্ম সাবমিট করাতে ফেসবুকের সন্দেহ বাড়াতে পারে। আরেকটি
বড় কারণ হলো নিজের মধ্যে ধৈর্য না রাখা। আগেই বলা হয়েছে যে, রিকভারি
করার সময় সময়ের পরিমাণ অনেক সময় কম বা বেশি ও লাগতে পারে। তাই ফেসবুকের
রিকভারি প্রক্রিয়া ততক্ষণই হয় না। বাবা নতুন ফরম সাবমিট করলে আগের প্রক্রিয়া
বাতিল হয়ে যেতে পারে।
সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হল, একবার সঠিকভাবে ফরম পূরণ করে অপেক্ষা করা। এতে আইডি ফিরে
পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আমরা উপরের যে কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে, পুরনো ফেসবুক
আইডি ফিরে পাব তবে আমাদের ধৈর্য রাখতে হবে। ধৈর্য ধরে পদ্ধতিগুলো অপসারণ করলেই
আমরা খুব সহজে পুরনো ফেসবুক আইডি আবার রিকভারি করতে পারব।
ভবিষ্যতে ফেসবুক আইডি সুরক্ষিত রাখার উপায়
ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল নিরাপত্তা ও সিকিউরিটি
জোরদার করা। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং তা নিয়মিত পরিবর্তন করুন।
একই পাসওয়ার্ড অন্য কোন সাইটে ব্যবহার করবেনা। আর একই পাসওয়ার্ড বেশি দিন
ব্যবহার করবেন না এতে হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ফেসবুক আইডিতে
"টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন" চালু করলে আইডির নিরাপত্তা অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই
আমাদের মনে করে প্রথমে "টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন" চালু করে নিতে হবে।
এতে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জানলেও আপনার ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ
না আপনার অনুমতি নিচ্ছে। অতএব আপনার অনুমতি ছাড়া আপনার ফেসবুক আইডিতে লগইন করা
সম্ভব হবে না, এই " টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন" চালু রাখলে। এছাড়াও অপরিচিত লিংক,
ইমেইল ও অ্যাপ থেকে দূরে থাকুন। সচেতন থাকলে ভবিষ্যতে আর আপনার ফেসবুক আইডি
হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে হবে না।
শেষ কথাঃ পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলবো
পুরাতন ফেসবুক আইডি কিভাবে খুলব এবং হারানো ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া কঠিন হলেও
সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে ফেসবুক আইডি ফিরে পাওয়া সম্ভব। ফেসবুক আইডি ফিরে
পাওয়ার মূল বিষয় হলো ধৈর্য রাখা এবং সঠিক তথ্য প্রদান করা। ফেসবুকের দেওয়া
নির্দেশনা গুলো ঠিকভাবে অনুসরণ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আইডি ফিরে আসে। এই সম্পূর্ণ
গাইডলাইন অনুসরণ করে আপনি সহজেই করতে পারবেন কোন অবস্থায় কি করতে হবে।
পাসওয়ার্ড ভুল, হ্যাক বা ইমেইলের সমস্যার জন্য আলাদা আলাদা সমাধান রয়েছে যা
আপনি উপরের বিষয় লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন।
সবশেষে বলা যায় যে ফেসবুক আইডি হারানো চেয়ে আইডি সুরক্ষিত রাখা আরো বেশি
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সচেতন থাকুন, তাহলে আপনার ফেসবুক হবে ঝামেলা মুক্ত।
আশা করি উপরের বিষয় থেকে আপনি কিভাবে পুরাতন ফেসবুক আইডি খুলবেন এবং পুরনো
ফেসবুক আইডি ফিরে পাবেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে বা জানতে পেরেছেন। আপনি এই
আর্টিকেল থেকে কোন বিষয় বুঝে উপকৃত হলেন তা সম্পর্কে আপনার বন্ধুদের কাছে
শেয়ার করুন। আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য
ধন্যবাদ।


অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url