২০২৬ সালের জ্বিলকদ মাসের কেলেন্ডার ১৪৪৭- ছুটির তালিকা

 

২০২৬ সালের জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭, সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানতে চাই। কারণ  জ্বিলকদ মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস। এই মাসে নফল ইবাদত ও রোজা সম্পর্কে জানা প্রত্যেক মুসলমানদের কর্তব্য। যেহেতু এই মাস এবাদতের মাস তাই আমরা অনেকেই এই মাসের ছুটির সম্পর্কে জানতে চাই।

২০২৬-সালের-জ্বিলকদ-মাসের-কেলেন্ডার-১৪৪৭

আপনি ২০২৬ সালের  জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭ সম্পর্কে জানার জন্য সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই আর্টিকেলটি থেকে আপনি  জ্বিলকদ মাসের ছুটি তালিকার এবং নফল এবাদত ও রোজা সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাই আসুন আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

পোস্টস সূচিপত্রঃ ২০২৬ সালের  জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭

২০২৬ সালের জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭

২০২৬ সালের জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭, নিচে উপস্থাপন করা হলোঃ

ইংরেজি তারিখ বার হিজরি তারিখ
১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ০১ জিলকদ ১৪৪৭
১৯ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ০২ জিলকদ ১৪৪৭
২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ০৩ জিলকদ ১৪৪৭
২১ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ০৪ জিলকদ ১৪৪৭
২২ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ০৫ জিলকদ ১৪৪৭
২৩ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ০৬ জিলকদ ১৪৪৭
২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার ০৭ জিলকদ ১৪৪৭
২৫ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ০৮ জিলকদ ১৪৪৭
২৬ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ০৯ জিলকদ ১৪৪৭
২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ১০ জিলকদ ১৪৪৭
২৮ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ১১ জিলকদ ১৪৪৭
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ১২ জিলকদ ১৪৪৭
৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৩ জিলকদ ১৪৪৭
০১ মে ২০২৬ শুক্রবার ১৪ জিলকদ ১৪৪৭
০২ মে ২০২৬ শনিবার ১৫ জিলকদ ১৪৪৭
০৩ মে ২০২৬ রবিবার ১৬ জিলকদ ১৪৪৭
০৪ মে ২০২৬ সোমবার ১৭ জিলকদ ১৪৪৭
০৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ১৮ জিলকদ ১৪৪৭
০৬ মে ২০২৬ বুধবার ১৯ জিলকদ ১৪৪৭
০৭ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার ২০ জিলকদ ১৪৪৭
০৮ মে ২০২৬ শুক্রবার ২১ জিলকদ ১৪৪৭
০৯ মে ২০২৬ শনিবার ২২ জিলকদ ১৪৪৭
১০ মে ২০২৬ রবিবার ২৩ জিলকদ ১৪৪৭
১১ মে ২০২৬ সোমবার ২৪ জিলকদ ১৪৪৭
১২ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ২৫ জিলকদ ১৪৪৭
১৩ মে ২০২৬ বুধবার ২৬ জিলকদ ১৪৪৭
১৪ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার ২৭ জিলকদ ১৪৪৭
১৫ মে ২০২৬ শুক্রবার ২৮ জিলকদ ১৪৪৭
১৬ মে ২০২৬ শনিবার ২৯ জিলকদ ১৪৪৭
১৭ মে ২০২৬ রবিবার ৩০ জিলকদ ১৪৪৭ 

জ্বিলকদ মাসের ছুটির তালিকা ১৪৪৭

২০২৬ সালের জ্বিলকদ  মাসের কেলেন্ডার ১৪৪৭,জ্বিলকদ মাস হচ্ছে ইংরেজি মাসের এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যে পড়ে। আর আরবি বছরের জ্বিলকদ  মাস হল ১১ তম মাস। নবী করিম সাঃ এই মাস কে অত্যন্ত সম্মানের মাস বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি নিজেও এই মাসকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাস ও সম্মানের মাস হিসেবে মনে করতেন। এ  মাস সম্পর্কে হাদিসে অনেক ফজিলত বিদ্যমান আছে। এই মাসে কিছু নফল ইবাদত রয়েছে এবং রোজার বিধান রয়েছে । কিন্তু এ মাসের কোন নির্দিষ্ট ছুটির তারিখ নেই।

জিলকদ মাসে রোজা রাখার নিষিদ্ধ দিন

আমরা অনেকেই আছি এই মাসে কিছু কিছু দিন যেগুলোতে রোজা রাখার কোন নিয়ম বা তারিখ নেই। আমরা বিভিন্ন দিনে অনেক মানতের রোজা করে থাকি। কিন্তু আরবি ১২ মাসের মধ্যে কিছু কিছু দিন আছে  যে দিনগুলোতে রোজা রাখা উচিত নয় বা রোজা পালন করা হয় না। কিছু কিছু দিনগুলোতে ইসলামে রোজা রাখা নিষিদ্ধ করেছেন। বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে সাধারণত ৫ দিন রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
যেমন ঈদুল ফিতর অর্থাৎ আমাদের পবিত্র রমজানের পর যে ঈদ আসে সেই ঈদের দিন এবং তারপর দিন অর্থাৎ দুই দিন রোজা রাখা হারাম। এবং পরবর্তী ঈদ উল আযহা অর্থাৎ অনেকে আমরা কোরবানির ঈদ বলে থাকি সেই দিনেও রোজা হারাম করা হয়েছে। ঈদের দিন এবং তার পরের দুই দিন মোট তিন। সব মিলিয়ে মোট পাঁচ দিন রোজা রাখতে নিষেধ করা হয়েছে। এই দিনে রোজা রাখা একেবারে উচিত নয়। রোজা কবুল হয় না এবং আল্লাহ তায়ালা নিজে তার বান্দাদের জন্য এই দিন গুলোতে রজা রাখা হারাম করেছেন। আর অন্য সকল দিন গুলোতে রোজা করা যাবে। এই মাসে বেশি বেশি এবাদত নফল রোজা করতে হবে।

ফিতরা দেবে কোন শ্রেণীর মানুষ 

ফিতরা দেবে কারা বা ফিতরা দেওয়া সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা তা অনেকেই জানতে চান। সাধারণত ভাবে যারা সচ্ছল ভাবে চলাফেরা করতে পারে বা ফিতরা দেওয়ার মতো ক্ষমতা রাখে তাদের ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব। ফিতরার উদ্দেশ্য হল রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি পূরণ করা এবং গরিব-মিসকিনদের ঈদের আনন্দে শরিক করা। এটাই ফিতরার মূল উদ্দেশ্য।
  • ফিতরা প্রতিটি সমর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর ওয়াজিব
  • যে মুসলমান ঈদের দিন ভোরে নিসাব পরিমান সম্পর্কের মালিক
  • এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ
  • অথবা সাড়ে ৫২ তোলা রুপা বা সমমূল্য নগদ অর্থ ব্যবসায়িক সম্পদ
  •  এই সম্পদ মৌলিক প্রয়োজন ও ঋণ বাদ দিয়ে থাকলে ফিতরা ওয়াজিব হয়
  • এবং যদি কেউ ঈদের দিন ফজরের আযান এর পূর্বে জন্মগ্রহণ করে তার পক্ষ থেকেও ফিতরা আদায় করতে হবে। এবং ততক্ষণে কেউ যদি মারা যায় তবে তার পক্ষ থেকে কোন ফিতরা দিতে হবে না। ঈদের দিন সূর্য অস্তের পর কারো জন্ম হলে তার ফিতরা আদায় করা হবেনা । আবার অন্যদিকে কেউ যদি সূর্য অস্তের পর মারা যায় তাহলে তার ফিতরা আদায় করতে হবে।

ফিতরা কাদের কাদের দিতে হবে

ফিতরা গ্রহণযোগ্য কারা বা কাদের দেওয়া যাবে তার নিচে দেয়া হলঃ
  • দরিদ্র মুসলমানদের যেমন মিসকিন, এতিম
  • ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যিনি নিসাবের মালিক নন
  • দারিদ্র ভাই-বোনেরা
  • গরিব আশেপাশের প্রতিবেশীরা
  • একজনের ক্ষেত্রে একজনকে দেওয়া উত্তম তবে একাধিক ব্যক্তিকেও দেওয়া যায়
  • বহুজনের ফিতরা একজনকে দেওয়া যায়
  • এবং কোন প্রতিষ্ঠান বা মসজিদ মাদ্রাসা রাস্তাঘাট ইত্যাদিতে ফিতরা দেওয়া জায়েজ হয় না।
  • নিকটতম গরিব-মিসকিন এবং নিকটতম পরিবার থেকে কেউ যদি সচ্ছল না থাকে তবে তাকে ফেতরা দেওয়া ওয়াজিব হবে।

জ্বিলকদ মাসের এবাদত সমূহ

জিলকদ মাসের এবাদত ও ফজিলত সম্পর্কে আমাদের প্রিয় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জিলকদ মাস হল সম্মানিত মাস। অন্যান্য মাসগুলোর মধ্যে পবিত্র মাস। এর সম্পর্কে হাদিসে অনেক বর্ণনা আছে। যেমন প্রত্যেক মুসলমানদের এই মাস গনিমত মনে করতে বলা হয়েছে। কেননা এই মাসের এবাদতের সওয়াব সারা বছরের ইবাদতের অপেক্ষা থেকে অতি উত্তম। আল্লাহ তায়ালা বলেন নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মাসের সংখ্যা ১২ তার মধ্যে সম্মানিত চারটি মাস হারাম। জিলকদ মাস কে হারাম মাস বলা হয়। 
জিলহজ্ব মাসে নির্দিষ্ট কোন নফল নামাজ নেই তবে  নফল নামাজ অত্যন্ত ফজিলত পূর্ণ। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বৃহস্পতিবার ও সোমবার দিনে যেকোনো সময় ১০০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করে এবং প্রতি রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে ১০ বার করে সূরা ইখলাস বিসমিল্লাহর সহিত পাঠ করে তাহলে আল্লাহ পাক তার আমলনামা সোয়াব দিয়ে ভরিয়ে দিবে।
 হাদিসে আর বর্ণিত আছে যে এই মাসের শুক্রবারের দিন আসরের নামাজের পর যদি কেউ চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করে তাহলে আল্লাহ পাক তাকে একটি ওমরা হজের সওয়াব দান করবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ফরজ নামাজের পর নফল নামাজ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল। প্রতি হারাম মাসে নফল এবাদতের সওয়াব সবচেয়ে বেশি হয় তাই তাহাজ্জুদ ইশরাক চাশত ইত্যাদি নফল নামাজ পড়া উত্তম।
  • চার রাকাত নফল নামাজের নিয়মঃ দুই রাকাতের নিয়তে নামাজ আদায় করতে হবে। এর প্রত্যেক রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে ১০ বার করে বিসমিল্লাহ সহিত সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে।

আরো পড়ুনঃদিনে ৫০০ টাকা ইনকাম apps ২০২৬

    জিলকদ মাসে আত্মশুদ্ধির উত্তম করার সময়। হাদিসে প্রতিদিন বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতে বলা হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন ৭০ বারের এর বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতেন। এবং এই হারাম মাসে তওবার গুরুত্ব অনেক বেশি ছোট বড় সব গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করার এই মাস হল  একটি বড় সুযোগ। তাই আমাদের বেশি বেশি ইস্তেগফার পাঠ করতে হবে।
    জিলকদ মাসে নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। তবে এই নফল রোজা গুলো রাখার উত্তম দিন হল সোমবার ও বৃহস্পতিবার। কারণ এই দিনগুলোতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা পালন করতেন। এই হারাম মাসে রোজা রাখলে তাকওয়া বৃদ্ধি পায় এবং নফসের প্রশিক্ষণ হয়।
    • রোজা রাখার বিশেষ দিন সমূহ
    • প্রতি সোমবার
    • প্রতি বৃহস্পতিবার
    • এবং আরবি মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ।
    এই পবিত্র জিলকদ মাসে ঝগড়া-বিবাদ কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই মাসগুলোতে নিজেদের উপর জুলুম না করতে বলা হয়েছে। (সূরা আত-তাওবা-৩৬)
    এবং জিলকদ মাসকে আত্ম সমালোচনার শ্রেষ্ঠ মাস বলা হয়েছে। এ মাসে নিজের ভুল চিহ্নিত করে চরিত্র সংশোধনের চেষ্টা করা প্রকৃত ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। 

    জ্বিলকদ মাসের নফল রোজা

    জিলকদ মাসের নফল রোজা কোন কোন তারিখে তা জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭ হিজরী লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি জ্বিলকদ মাসের যেকোনো একদিন রোজা রাখে, সেই ব্যক্তির রোজা মহান আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক ঘন্টায় কবুল করে এবং হজের সওয়াব দান করেন।

    আরো পড়ুনঃ কিভাবে ফ্রি টাকা ইনকাম করা যায়

    এই হাদিসে আরো বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন যে এই মাসের প্রতি সোমবার যে ব্যক্তি রোজা রাখবে তাকে হাজার বছরের এবাদত অপেক্ষা দান করা হবে। এবং ওই মাসের রোজাদারদের প্রত্যেক নিঃশ্বাসের এক একটি গোলাম আজাদ করার সব হাসিল হবে।

    শেষ কথা

     ২০২৬ সালের জ্বিলকদ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭,সম্পর্কে জানার মুখ্য বিষয় ছিল। তবে উপরে  জ্বিলকদ মাসের ছুটির তালিকা সম্পর্কে ধারণা, ফিতরা সম্পর্কে এবং জ্বিলকদ মাসের এবাদত, নফল রোজা সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। আশাকরি আপনি উপরের বিষয়গুলো থেকে উপকৃত হবেন।
    ২০২৬-সালের-জ্বিলকদ-মাসের-কেলেন্ডার-১৪৪৭

     এই আর্টিকেলটি থেকে আপনার কোন কোন বিষয়গুলো ভালো লেগেছে এবং আপনি কোন কোন বিষয় পড়ে উপকৃত হয়েছেন তার সম্পর্কে আপনার মতামত আপনার বন্ধুর কাছে শেয়ার করবেন। এবং আরো অন্যান্য শিক্ষানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। এবং এতক্ষণ মনোযোগ দিয়ে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url

    Mst. Rubi Khatun
    Mst. Rubi Khatun
    একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট গেনের বারি ওয়েবসাইটের এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।